ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্তে দুদক

যে কারখানা হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের সম্পদ, তা কীভাবে চলে গেল বহুজাতিক কোম্পানির পকেটে? ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ওঠা অর্থপাচার ও জালিয়াতির রহস্য উন্মোচনে বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শনিবার (২৩ মে) দুদুক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর করাচিতে পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি (পিটিসি) পথচলা শুরু করে। পরে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় তাদের দুটি বড় কারখানা গড়ে তোলে।
দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়, স্বাধীনতার পর আইনত এসব পরিত্যক্ত সম্পত্তির মালিক হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের। পিটিসি নিজেও করাচি থেকে এর বড় অংকের ক্ষতিপূরণ বুঝে নিয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পিটিসির ফাইন্যান্স ম্যানেজার পরবর্তীকালে বাংলাদেশে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা জামালুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট জালিয়াতি ও রাজনৈতিক প্রভাবে রাষ্ট্রীয় এ সম্পদ বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোকে (বিএটি) দখলে সহায়তা করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ জালিয়াতির কারণে ৫৫ বছরে গত বাংলাদেশ হারিয়েছে ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে জয়েন্ট-স্টক কোম্পানিসহ বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। নথিপত্র যাচাই শেষে যদি এ জালিয়াতির সত্যতা মেলে, তবে তা হবে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ কর্মকর্তা) আকতারুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ টোব্যাকো কোম্পানির পরিবর্তে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি হয়েছে। পরবর্তীকালে ব্যবসার যে লভ্যাংশ তারা নিয়ে গেছে, মূলত অভিযোগ সেটাই। অর্থাৎ, মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ। এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।

আকতারুল ইসলাম আরও বলেন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির কাছে বিভিন্ন তথ্য চেয়ে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা পত্র পাঠিয়েছেন।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ

- Advertisement -spot_img

এই বিভাগের আরও

- Advertisement -spot_img