দীর্ঘকাল ধরে মরুকরণের সঙ্গে লড়াইয়ের পথে চীনারা বেশ কিছু কার্যকর পদ্ধতি উন্নয়ন করেছে। যা বিশ্বের মরুকরণ মোকাবিলায় চীনা প্রস্তাব ও অভিজ্ঞতা প্রদান করেছে।
২০১৯ সালে নাসার এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পৃথিবী ২০ বছর আগের তুলনায় আরও সুবজ হয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে চীনের ব্যাপক পরিমাণে বন তৈরি ও সবুজায়ন করা। দেখা যাক চীনা সে পদ্ধতিগুলো:
১) চাইনিজ রুবিকের কিউব: মরুভূমিকে ১*১ মিটার বর্গক্ষেত্র আকারে ভাগ করে এবং ১০ থেকে ২০ সেমি গভীরে খনন করা হয়। তা বাতাস প্রতিরোধ করে বালিকে স্থির এবং পানি ধরে রাখে। চীন এখন এ ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম উদ্ভাবন করেছে, যার ফলে কাজের কার্যকারিতা অনেক উন্নত হয়েছে।
২) ১০ সেকেন্ডে বৃক্ষ রোপণ পদ্ধতি: পানির চাপ ব্যবহার করে বালিতে ১ মিটার গভীর গর্ত তৈরি করে সেখানে বৃক্ষ রোপন করা হয়। এভাবে চাষ করলে কেবল ১০ সেকেন্ড সময় লাগে এবং ৯০ শতাংশ বৃক্ষ বেঁচে যায়।
৩) সৌরশক্তির প্যালেট: সৌরশক্তির প্যালেটের নিচে পানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। তাতে সবুজ ও অর্থকরী খাদ্যশস্য চাষ করা হয়।
৪) বালিকে মাটিতে পরিণত করার পদ্ধতি: ২০০৯ সালে চীনের অধ্যাপক ই চি চিয়ান এক ধরণের ফাইবার আঠার উদ্ভাবন করেছেন। এ আঠার মাধ্যমে বালি সংযুক্ত হয়। যা পানি, পুষ্টি ও বায়ু ধারণ করতে পারে।
৫) মানুষের সচেতনতা: প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের চীনারা অবিরাম পরিশ্রমের মাধ্যমে চীনের মরুকরণ মোকাবিলার বিষ্ময় সৃষ্টি করেছেন।
ইউআর/


