দূতাবাস জানায়, কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে মূল্যায়ন করেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আবেদনকারীর পরিকল্পিত চিকিৎসা বা অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর কোনো আর্থিক বোঝা সৃষ্টি হবে না।নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, চিকিৎসা ভিসার আবেদনকারীদের নিজ দেশের চিকিৎসকের দেওয়া চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি বা ব্যবস্থাপত্র জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে কেন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যাও দিতে হবে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চিকিৎসক বা হাসপাতালের কাছ থেকে একটি সম্মতিপত্র (Letter of Acceptance) জমা দিতে হবে। এতে প্রস্তাবিত চিকিৎসার ধরন, সম্ভাব্য সময়কাল এবং আনুমানিক ব্যয়ের বিবরণ থাকতে হবে।
মার্কিন দূতাবাস আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের চিকিৎসা ব্যয়, যাতায়াতের খরচ এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন আবাসন ও অন্যান্য ব্যয় বহনের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও দাখিল করতে হবে।